odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Thursday, 5th February 2026, ৫th February ২০২৬
নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ গ্রহণ: সাংবিধানিক বিকল্প ও আইনি ব্যাখ্যা দিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল

স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নেই, তাহলে নতুন এমপিদের শপথ পড়াবে কে? সাংবিধানিক সংকট কাটাতে বড় ব্যাখ্যা দিলেন আসিফ নজরুল

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৫ February ২০২৬ ২০:১৪

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৫ February ২০২৬ ২০:১৪

অধিকারপত্র ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ নিয়ে সৃষ্ট ধোঁয়াশা কাটাতে সাংবিধানিক ব্যাখ্যা দিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হবে, তার বিকল্প পথ বাতলে দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইন উপদেষ্টা জানান, বর্তমান স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতি বা আইনি জটিলতার কারণে শপথ গ্রহণে কোনো সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হবে না।

শপথ পড়াবেন কে? ড. আসিফ নজরুল ব্যাখ্যা করেন যে, সাধারণত স্পিকার বা তার অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার শপথ পাঠ করান। তবে বর্তমানে সেই সুযোগ নেই। এমতাবস্থায় সংবিধান অনুযায়ী দুটি বিকল্প পথ রয়েছে:
১. রাষ্ট্রপতির মনোনীত প্রতিনিধি: প্রধান উপদেষ্টার পরামর্শে রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তিকে (যেমন: প্রধান বিচারপতি) প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করতে পারেন শপথ পাঠ করানোর জন্য।
২. প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি): যদি নির্বাচনের তিন দিনের মধ্যে শপথ পড়ানো সম্ভব না হয়, তবে সিইসি শপথ পাঠ করানোর সাংবিধানিক এখতিয়ার রাখেন।

কেন এই বিকল্প? আইন উপদেষ্টা স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের মধ্যে একজন নিখোঁজ এবং অন্যজন কারাবন্দি। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর মামলা রয়েছে এবং তারা পদত্যাগও করেছেন। ফলে তাদের মাধ্যমে শপথ পাঠ করানোর কোনো বাস্তব সুযোগ নেই।

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যেকোনো মূল্যে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে এবং দ্রুততম সময়ে সংসদীয় কার্যক্রম শুরু করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করেই এই বিকল্পগুলোর যেকোনো একটি বেছে নেওয়া হবে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: