odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Monday, 12th October 2026, ১২th October ২০২৬
রাজধানীর একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান থেকে দীর্ঘদিনে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক কর্মচারীকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি

বসুন্ধরা সিটির স্বর্ণ আত্মসাৎ মামলায় গ্রেফতার সাবেক সেলসম্যান, ৫ বছরে লোপাট ৯৪ কোটি টাকার স্বর্ণ

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৩ May ২০২৬ ০০:০৪

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৩ May ২০২৬ ০০:০৪

অধিকারপত্র ডটকম 

নগর প্রতিবেদকক,

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে অবস্থিত একটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৯৪ কোটি টাকার স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগে কৃষ্ণ বসাক ওরফে স্বপন বসাক (৪৭) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। মঙ্গলবার (১২ মে) বসুন্ধরা সিটির সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, গ্রেফতার ব্যক্তি ওই প্রতিষ্ঠানে সেলসম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তদন্তে উঠে এসেছে, ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে প্রতিষ্ঠানের আরও কয়েকজন কর্মচারীর সহযোগিতায় মোট ৭ হাজার ৫৫০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাৎ করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৯৪ কোটি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

এ ঘটনায় গত বছরের ৯ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বাদীর পরিবার বসুন্ধরা সিটিতে একাধিক জুয়েলারি দোকানের মালিক বলে জানা গেছে।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান বলেন, মামলার তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, চাকরির সুযোগ কাজে লাগিয়ে কৃষ্ণ বসাক দীর্ঘদিন ধরে স্বর্ণ আত্মসাৎ করে আসছিলেন।

তদন্তে তার আয়কর নথি, ব্যাংক হিসাব এবং আর্থিক লেনদেন বিশ্লেষণ করে বিপুল সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। যদিও তিনি মাসে মাত্র ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন, তারপরও তার নামে একটি জুয়েলারি ব্যবসায় প্রায় ৩৩ লাখ টাকার বিনিয়োগ, প্রায় ৪৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকার ফ্ল্যাট ও কার পার্কিং, শেয়ারবাজারে ১৬ লাখ ৭৮ হাজার টাকার বিনিয়োগ এবং ৫০ ভরি স্বর্ণ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

সিআইডির ধারণা, এসব সম্পদের একটি অংশ আত্মসাৎ করা স্বর্ণ বিক্রির অর্থ থেকে অর্জিত হতে পারে। এছাড়া তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি। গ্রেফতার কৃষ্ণ বসাককে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।