odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Wednesday, 10th June 2026, ১০th June ২০২৬
ই-ওয়ান এলাকায় নতুন বসতি নির্মাণ পরিকল্পনাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন উল্লেখ করে কঠোর অবস্থান নিয়েছে পশ্চিমা ও মিত্র রাষ্ট্রগুলো

পশ্চিম তীরে অবৈধ বসতি সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে একজোট ৯ দেশ, বাড়ছে ইসরায়েলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২১ May ২০২৬ ০১:১৮

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২১ May ২০২৬ ০১:১৮

অধিকারপত্র ডটকম, 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ পরিকল্পনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বিশ্বের প্রভাবশালী ৯টি দেশ। যৌথ বিবৃতিতে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, নরওয়ে ও নেদারল্যান্ডস ইসরায়েলের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণ আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশেষ করে বিতর্কিত ‘ই-ওয়ান’ (E1) এলাকায় যেকোনো নির্মাণ কার্যক্রমের বিরোধিতা করে দেশগুলো জানায়, এই উদ্যোগ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ভৌগোলিক সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

ইসরায়েল প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ই-ওয়ান এলাকায় হাজার হাজার নতুন আবাসন ইউনিট নির্মাণ করা হতে পারে। বাস্তবায়িত হলে জেরুজালেমের সঙ্গে পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতি ‘মালে আদুমিম’-এর সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে সম্ভাব্য স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।

যৌথ বিবৃতিতে বিশ্বনেতারা ইসরায়েল সরকারের প্রতি অবিলম্বে বসতি সম্প্রসারণ বন্ধের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় জড়িত উগ্র বসতি স্থাপনকারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি তোলা হয়। এছাড়া ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উচ্ছেদ কিংবা অধিকৃত ভূখণ্ড ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করার পক্ষে যেসব বক্তব্য ইসরায়েলের কিছু রাজনৈতিক মহল থেকে দেওয়া হচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক নীতিমালার পরিপন্থী এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, গাজা পরিস্থিতির মধ্যেই পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি সম্প্রসারণ ইস্যুতে পশ্চিমা দেশগুলোর এমন সমন্বিত অবস্থান তেল আবিবের ওপর কূটনৈতিক চাপ আরও বাড়াবে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যৎ মধ্যপ্রাচ্য নীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: