odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Friday, 5th June 2026, ৫th June ২০২৬
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচার কার্যক্রমের শেষ ধাপে রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন

রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক আজ, রায়ের তারিখ ঘোষণা হতে পারে

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৪ June ২০২৬ ০২:১৭

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৪ June ২০২৬ ০২:১৭

প্রকাশ: ৪ জুন ২০২৬,অধিকারপত্র ডটকম 

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন অনুষ্ঠিত হবে আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন)। যুক্তিতর্ক শেষে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করতে পারেন।

মামলা সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানান, বিচার প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ এই ধাপে উভয় পক্ষ তাদের চূড়ান্ত যুক্তি আদালতের সামনে তুলে ধরবে। এরপর মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হতে পারে অথবা রায় ঘোষণার জন্য একটি দিন নির্ধারণ করা হতে পারে।

বুধবার (৩ জুন) মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় পরীক্ষা করা হয়। পরে আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ৪ জুন দিন ধার্য করেন।

রামিসার পরিবারের অন্যতম আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট কাজী মহসীন মিঠু

"অধিকারপত্র ডটকমকে বলেন, “এটি একটি আলোচিত ও নৃশংস অপরাধের মামলা। সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আমরা আশা করছি, যুক্তিতর্ক শেষে দ্রুত রায়ের তারিখ ঘোষণা করা হবে।”

মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী, সোহেল রানার বিরুদ্ধে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ওই অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর আগে গত ২৫ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই দিন মামলাটি বিচারের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

পরে ১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ২ জুন রাষ্ট্রপক্ষের ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

মামলার এজাহার ও তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ মে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনার পর বাসার জানালার গ্রিল কেটে প্রধান আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ স্বপ্না খাতুনকে হেফাজতে নেয়। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে ২১ মে সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর আদালত দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, রামিসার পরিবার পল্লবী থানার সেকশন-১১, ব্লক-বি এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করত। তার বাবা বনানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। একই ভবনের অন্য একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুন। নিহত রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

রামিসা_হত্যা #পল্লবী #শিশু_নির্যাতন #শিশু_হত্যা #ঢাকা_আদালত #সোহেল_রানা



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: