odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Monday, 12th October 2026, ১২th October ২০২৬
তদন্ত অব্যাহত, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

মতিঝিলের আইইডি ও মিরপুর-ফার্মগেটের সন্দেহজনক বস্তু: এখনো কোনো যোগসূত্র পায়নি সিটিটিসি

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১ August ২০২৬ ২৩:৪৭

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১ August ২০২৬ ২৩:৪৭

 ০১ আগস্ট ২০২৬ | ১১:৪৩ রাত
অধিকারপত্র ডেস্ক | ঢাকা

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট জানিয়েছে, রাজধানীর মতিঝিল মেট্রোস্টেশনের নিচে ২৫ জুলাই উদ্ধার হওয়া ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) এবং শনিবার (১ আগস্ট) মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোস্টেশনে পাওয়া সন্দেহজনক বস্তু—এই দুই ঘটনার মধ্যে এখন পর্যন্ত কোনো যোগসূত্রের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে প্রতিটি ঘটনাই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ শামসুল হক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মিরপুর-১০ মেট্রোস্টেশনের দ্বিতীয় তলায় একটি সন্দেহজনক ব্যাগ এবং ফার্মগেট মেট্রোস্টেশনের নিচে একটি বস্তা পড়ে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়।

পরীক্ষা শেষে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল নিশ্চিত করে, দুটি স্থান থেকেই কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া যায়নি। মিরপুর-১০ স্টেশনে পাওয়া ব্যাগে পান-জর্দার কৌটাসহ কিছু সাধারণ জিনিস ছিল এবং ফার্মগেটে পাওয়া বস্তায় ছিল আবর্জনা।

নিরাপত্তার স্বার্থে মিরপুর-১০ মেট্রোস্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হলেও প্রয়োজনীয় তল্লাশি শেষে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

মতিঝিলে উদ্ধার হওয়া আইইডির সঙ্গে এসব ঘটনার কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, বর্তমান তদন্তে এমন কোনো সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে মতিঝিলের আইইডি উদ্ধারের ঘটনাটি সিটিটিসি, গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো যৌথভাবে তদন্ত করছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

তিনি আরও জানান, সন্দেহজনক ব্যাগ ও বস্তা কারা সেখানে রেখে গেছে তা শনাক্তে মেট্রোস্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজসহ সংশ্লিষ্ট সব তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে সিটিটিসি জানায়, সন্ত্রাসবাদ দমন, সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ এবং আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ এবং গোয়েন্দা নজরদারিও আরও জোরদার করা হয়েছে।

পলাতক জঙ্গিদের গ্রেপ্তারে অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা চলমান রয়েছে বলেও জানান সিটিটিসির অতিরিক্ত কমিশন