odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Tuesday, 20th October 2026, ২০th October ২০২৬
পল্লবীর বিহারি ক্যাম্পে মরদেহের গোসলখানা নির্মাণ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ফাঁকা গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

পল্লবীর বিহারি ক্যাম্পে গোসলখানা নির্মাণ নিয়ে সংঘর্ষ, ফাঁকা গুলি-ককটেল বিস্ফোরণ

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৩০ August ২০২৬ ০১:৪১

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৩০ August ২০২৬ ০১:৪১

অধিকারপত্র ডটকম 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: রাজধানীর পল্লবীর বিহারি ক্যাম্পে মরদেহের গোসলখানা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকটি ফাঁকা গুলিবর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পল্লবী থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিহারি ক্যাম্পের একটি মসজিদের পাশে মরদেহের গোসলখানা নির্মাণের কাজ চলছিল। অন্য একটি পক্ষ সেখানে পানির পাম্প স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের একপর্যায়ে স্থানীয় জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীরাও এতে জড়িয়ে পড়েন। জামায়াতকর্মী মানিকের নেতৃত্বে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন এবং ছাত্রদল নেতা সোহেল ও বিহারি সংগঠনের নেতা সাদাকাত খান ওরফে ফাক্কুর নেতৃত্বে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষের মধ্যে পাঁচটি ফাঁকা গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। এ ছাড়া ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ডিএমপির পল্লবী অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার আশরাফুল ইসলাম।

ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজে কয়েকজনকে মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল অতিক্রম করতে দেখা গেছে। তাদের মাথায় হেলমেট ছিল। ফুটেজে দুজনকে হাত উঁচিয়ে গুলি ছুড়তে দেখা যায় বলে জানা গেছে। গুলির শব্দে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে।

ডিএমপির পল্লবী অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার আশরাফুল ইসলাম জানান, ঘটনার পরও এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা থাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

অধিকার পত্রের নোট

ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য ও অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্ত বা আদালতের সিদ্ধান্তের আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যাবে না।