odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Saturday, 10th October 2026, ১০th October ২০২৬
উত্তরায় ‘শিশুর কথা বলা: অভিভাবকদের জন্য সহজ পাঠ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

শিশুর ভাষা বিকাশে অভিভাবকের সচেতনতার ওপর গুরুত্ব:

অধিকারপত্র নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: ১০ October ২০২৬ ০২:৪৫

অধিকারপত্র নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০ October ২০২৬ ০২:৪৫

অধিকারপত্র বিশেষ সংবাদ প্রতিবেদন

ঢাকার উত্তরায় উইজডম ক্যাম্পাসে ব্রেইন জিম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আব্দুর রহমানের রচিত ‘শিশুর কথা বলা: অভিভাবকদের জন্য সহজ পাঠ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও অভিভাবক সচেতনতা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯ অক্টোবর ২০২৬ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান লিটু। তিনি প্রতিবন্ধী সন্তানের প্রয়োজন বুঝতে ও উপযুক্ত সহায়তা খুঁজে পেতে পিতামাতার সংগ্রামের কথা তুলে ধরে বাংলায় সহজবোধ্য ও নির্ভরযোগ্য তথ্যসামগ্রীর ঘাটতি পূরণে বইটির সম্ভাব্য ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন। এসএমএস বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল আলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিক্ষা, চিকিৎসা, থেরাপি, গণমাধ্যম ও প্রতিবন্ধিতা অন্তর্ভুক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবী এবং অভিভাবকেরা অংশ নেন। বইয়ের পরিচিতি উপস্থাপন, সচেতনতামূলক আলোচনা ও প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে শিশুর ভাষা ও যোগাযোগের বিকাশে পরিবারের ভূমিকা এবং পরিবার ও পেশাজীবীদের সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা সামনে আসে। বইটি অভিভাবকদের সন্তানকে আরও ভালোভাবে বুঝতে ও প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে সচেতন হতে কাজে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

শিশুর কথা বলা ও যোগাযোগের বিকাশকে ঘিরে অভিভাবকদের নানা প্রশ্ন, উদ্বেগ ও করণীয় সামনে রেখে ঢাকার উত্তরায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘শিশুর কথা বলা: অভিভাবকদের জন্য সহজ পাঠ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও অভিভাবক সচেতনতা অনুষ্ঠান। ব্রেইন জিম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও কনসালট্যান্ট মোঃ আব্দুর রহমানের রচিত বইটি অভিভাবকদের কাছে শিশুর ভাষা ও যোগাযোগের বিষয়গুলো সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হয়।

শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর রোডের ৪৮ নম্বর বাড়ির পঞ্চম তলায় অবস্থিত উইজডম ক্যাম্পাসে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে অভিভাবক, শিশুদের প্রধান যত্নকারী, বিশেষ শিক্ষক, চিকিৎসক, স্পিচ ও ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট, ফিজিওথেরাপিস্টসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান লিটু।সভাপতিত্ব করেন এসএমএস বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল আলিম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ব্রেইন জিম বাংলাদেশের সমন্বয়ক মোঃ রাসেল খান।

প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান লিটু বলেন, “বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত জনগোষ্ঠীগুলোর একটি। একটি পরিবারে প্রতিবন্ধী সন্তান জন্মগ্রহণ করলে কিংবা পরবর্তী সময়ে সন্তানের প্রতিবন্ধিতা শনাক্ত হলে পিতামাতার জীবনে এক দীর্ঘ সংগ্রাম শুরু হয়। সন্তানকে বোঝা, তার প্রয়োজন চিহ্নিত করা এবং উপযুক্ত শিক্ষা ও সহায়তা খুঁজে পাওয়ার পথে তাঁদের নানা বাধার মুখোমুখি হতে হয়। এই সংগ্রামের প্রথম দিকের একটি বড় বাধা হলো বাংলায় সহজবোধ্য, নির্ভরযোগ্য বই ও সহায়ক তথ্যসামগ্রীর অভাব। ফলে অনেক অভিভাবক বুঝে উঠতে পারেন না, কোথা থেকে শুরু করবেন কিংবা কার কাছে পরামর্শ চাইবেন।”

তিনি আরও বলেন, “আমি মনে করি, মোঃ আব্দুর রহমানের লেখা ‘শিশুর কথা বলা: অভিভাবকদের জন্য সহজ পাঠ’ বইটি এই ঘাটতি পূরণে কিছুটা হলেও ভূমিকা রাখবে। শিশুর কথা বলা ও যোগাযোগের বিকাশ সম্পর্কে সহজ ভাষায় জানার সুযোগ অভিভাবকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বইটি তাঁদের সন্তানকে আরও ভালোভাবে বুঝতে, প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করতে এবং যথাযথ সহায়তা খুঁজে নিতে কাজে আসবে বলে আমি আশা করি।”

আরো পড়ুন:অধিকারপত্র গবেষণাধর্মী বিশেষ ফিচার | শিশু বিকাশ, শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য “শিশুর মুখে কথা ফুটছে না, আমরা কি তার ভাষা বুঝছি? মস্তিষ্কের বিজ্ঞান থেকে অভিভাবকের করণীয় │শিশুর মুখে কথা ফুটছে না, আমরা কি তার ভাষা বুঝছি? মস্তিষ্কের বিজ্ঞান থেকে অভিভাবকের করণীয়”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দ্য ঢাকা স্ট্রিমের প্রধান সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ, সোসাইটি অব স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টসের সভাপতি ফিদা আল-শামস এবং বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি সাইফুল ইসলাম।

আরও বক্তব্য দেন ব্র্যাকের প্রতিবন্ধিতা অন্তর্ভুক্তিবিষয়ক জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক গোলাম কিবরিয়া রাজীব, স্কয়ার হাসপাতালস লিমিটেডের কনসালট্যান্ট ডা. আরেবিয়া রহমান, ব্রেইন জিম বাংলাদেশের পরিচালক ও ডেন্টাল সার্জন ডা. উম্মে জামিলা হোসেন এবং প্রতিষ্ঠানটির কনসালট্যান্ট স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট মানাজির হাসান কাফি।

অতিথিদের আগমন ও নিবন্ধনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও স্বাগত বক্তব্যের পর বই, লেখক এবং ব্রেইন জিম বাংলাদেশের পরিচিতি নিয়ে পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনা দেওয়া হয়। এরপর অতিথিদের বক্তব্য, অভিভাবক সচেতনতা আলোচনা, বইয়ের মোড়ক উন্মোচন, লেখকের বক্তব্য ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

শিশুর যোগাযোগের প্রথম সহযাত্রী পরিবার

প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান লিটুর বক্তব্যের প্রস্তাবিত ভাবার্থে উঠে আসে, শিশুর কথা বলা শেখার প্রক্রিয়ায় পরিবারের প্রতিদিনের আন্তরিক যোগাযোগের গুরুত্ব। শিশুর সঙ্গে কথা বলা, তার কথা মন দিয়ে শোনা এবং তাকে নিজের প্রয়োজন ও অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ দেওয়া—এসব অভ্যাস অভিভাবকত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তিনি শিশুর বিকাশকে শুধু কতটি শব্দ বলতে পারছে, সেই হিসাবে দেখার পরিবর্তে তার বোঝার ক্ষমতা, যোগাযোগের আগ্রহ এবং অন্যের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়গুলোও বিবেচনায় নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর বক্তব্যে অভিভাবকদের উদ্বেগকে সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করা এবং প্রয়োজন হলে যোগ্য পেশাজীবীর পরামর্শ নেওয়ার বিষয়টি প্রাধান্য পায়।

বইটি সম্পর্কে তাঁর বক্তব্যের ভাবার্থ ছিল, সহজ ভাষায় লেখা একটি দায়িত্বশীল অভিভাবক নির্দেশিকা পরিবার ও পেশাজীবীদের মধ্যে বোঝাপড়ার সেতু তৈরি করতে পারে। শিশুকে বুঝতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়ে সচেতন হতে বইটি অভিভাবকদের কাজে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সভাপতি আব্দুল আলিমের বক্তব্যে পরিবার ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তাঁর বক্তব্যের প্রস্তাবিত ভাবার্থ অনুযায়ী, শিশুর বিকাশে সহায়তা দিতে হলে অভিভাবকদের প্রশ্ন শোনার এবং তাঁদের বোধগম্য ভাষায় তথ্য দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। বইটির মতো উদ্যোগ সেই যোগাযোগকে আরও সহজ করতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সচেতনতা বাড়াতে সহজ ও দায়িত্বশীল তথ্যের প্রয়োজন

বিশেষ অতিথি ইফতেখার মাহমুদের বক্তব্যের ভাবার্থে শিশু ও পরিবারের অভিজ্ঞতা গণমাধ্যমে দায়িত্বশীলভাবে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তা উঠে আসে। শিশুদের যোগাযোগের সমস্যা নিয়ে অতিরঞ্জিত দাবি কিংবা বিভ্রান্তিকর প্রচারের পরিবর্তে সহজ, বোধগম্য ও যাচাইযোগ্য তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। বইটি অভিভাবকদের প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করতে এবং সচেতন আলোচনায় অংশ নিতে উৎসাহিত করবে বলে তিনি প্রত্যাশা জানান।

ফিদা আল-শামসের বক্তব্যে শিশুর কথা, ভাষা ও যোগাযোগের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা নির্ধারণের বিষয়টি প্রাধান্য পায়। তাঁর বক্তব্যের প্রস্তাবিত ভাবার্থ ছিল, প্রতিটি শিশুর প্রয়োজন এক রকম নয়। তাই কোনো উদ্বেগ দেখা দিলে যথাযথ মূল্যায়ন এবং পরিবারকে সম্পৃক্ত করে সহায়তার পরিকল্পনা করা জরুরি। সহজ পাঠের একটি বই অভিভাবকদের বিষয়গুলো বুঝতে সাহায্য করতে পারে, তবে ব্যক্তিগত মূল্যায়ন ও পেশাগত পরামর্শের প্রয়োজনও বিবেচনায় রাখতে হবে।

সাইফুল ইসলামের বক্তব্যের ভাবার্থে শিশুর সার্বিক বিকাশে বিভিন্ন পেশাজীবীর সহযোগিতার গুরুত্ব উঠে আসে। শিশুর প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবার, শিক্ষক, চিকিৎসক ও থেরাপিস্টদের মধ্যে সমন্বয় থাকলে সহায়তার ধারাবাহিকতা বাড়ে। বইটি সেই যৌথ বোঝাপড়ার একটি সহায়ক উপকরণ হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মর্যাদা, অংশগ্রহণ ও অভিভাবকের পাশে থাকার আহ্বান

গোলাম কিবরিয়া রাজীবের বক্তব্যের প্রস্তাবিত ভাবার্থে প্রতিবন্ধী শিশুদের মর্যাদা ও সামাজিক অংশগ্রহণের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। শিশুর যোগাযোগের ভিন্নতা যেন তার শিক্ষা, খেলাধুলা কিংবা সামাজিক সম্পর্কের সুযোগ সংকুচিত না করে, সেদিকে পরিবার ও সমাজের মনোযোগ প্রয়োজন। অভিভাবকদের সহজ ভাষায় তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি শিশুর সক্ষমতা ও সম্ভাবনা দেখার দৃষ্টিভঙ্গিও গড়ে তুলতে হবে বলে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।

ডা. আরেবিয়া রহমানের বক্তব্যের ভাবার্থ ছিল, শিশুর বিকাশ নিয়ে উদ্বিগ্ন অভিভাবকের প্রয়োজন মনোযোগ দিয়ে শোনা, বোধগম্য ব্যাখ্যা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরামর্শ। অন্য শিশুর সঙ্গে তুলনা করে উদ্বেগ বাড়ানোর পরিবর্তে নিজের শিশুর বিকাশ ও যোগাযোগের বিষয়গুলো লক্ষ্য করা জরুরি। বইটি পরিবারকে প্রয়োজনীয় বিষয় বুঝতে এবং পরামর্শ গ্রহণের প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ডা. উম্মে জামিলা হোসেনের বক্তব্যে শিশুকে স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। তাঁর বক্তব্যের প্রস্তাবিত ভাবার্থ অনুযায়ী, শিশুর স্বাস্থ্য, দৈনন্দিন যত্ন ও যোগাযোগের প্রয়োজন বুঝতে পরিবারকে সহায়তা করা জরুরি। অভিভাবকদের হাতে সহজপাঠ্য তথ্য পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখেন।

মানাজির হাসান কাফির বক্তব্যের ভাবার্থে দৈনন্দিন জীবনে শিশুর যোগাযোগের সুযোগ তৈরির বিষয়টি উঠে আসে। খেলাধুলা, গল্প, খাবার সময় কিংবা পরিবারের সাধারণ কথোপকথনে শিশুকে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। শিশুর আগ্রহ বোঝা এবং তার প্রকাশের চেষ্টা মন দিয়ে গ্রহণ করার বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন হতে বইটি সাহায্য করবে বলে তিনি প্রত্যাশা জানান।

অভিভাবকদের জন্য সহজ পাঠ তৈরির উদ্যোগ

লেখক মোঃ আব্দুর রহমানের বক্তব্যের প্রস্তাবিত ভাবার্থ অনুযায়ী, শিশুর কথা বলা নিয়ে অভিভাবকদের প্রশ্ন ও উদ্বেগকে সহজ ভাষায় আলোচনার আওতায় আনাই বইটির উদ্দেশ্য। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ বুঝতে, নিজের প্রশ্নগুলো গুছিয়ে নিতে এবং শিশুর সঙ্গে দৈনন্দিন যোগাযোগের বিষয়ে ভাবতে অভিভাবকদের একটি সহজ পাঠ দেওয়ার প্রত্যাশা থেকে বইটি রচিত হয়েছে।

তিনি বইটি অভিভাবক, যত্নকারী ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের মধ্যে আলোচনা বাড়াবে বলে আশা প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্যে শিশুর বিকাশে ধৈর্য, নিয়মিত যোগাযোগ এবং পরিবার ও পেশাজীবীদের সহযোগিতার গুরুত্ব উঠে আসে।

সঞ্চালক মোঃ রাসেল খানের বক্তব্যের ভাবার্থে অভিভাবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। তিনি সচেতনতামূলক আয়োজনের মাধ্যমে পরিবারগুলোর প্রশ্ন ও অভিজ্ঞতা আলোচনায় আনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বইটি অভিভাবকদের উপকারে আসবে এবং শিশুর কথা বলা ও যোগাযোগের বিকাশ নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমন আশাবাদ প্রকাশ করেন অতিথি ও আলোচকেরা।

বই প্রকাশের পাশাপাশি অভিভাবক সচেতনতা আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব যুক্ত থাকায় আয়োজনটি পরিবার ও পেশাজীবীদের মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে। শিশুর প্রয়োজন বোঝা, অভিভাবকের উদ্বেগকে গুরুত্ব দেওয়া এবং সহায়তার বিষয়ে সহজ ভাষায় আলোচনা করার প্রয়োজনীয়তা এতে সামনে আসে। ধন্যবাদ জ্ঞাপন, সম্মিলিত ছবি তোলা ও গণমাধ্যমের ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

- নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

#শিশুরকথাবলা #বইয়েরমোড়কউন্মোচন #অভিভাবকসচেতনতা #শিশুরভাষাবিকাশ #ব্রেইনজিমবাংলাদেশ #অধিকারপত্র