odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Tuesday, 20th October 2026, ২০th October ২০২৬
সিআইডির অনুরোধে বনানী থেকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি; মামলায় ৬৭৮ কোটি টাকার বেশি অর্থপাচারের অভিযোগ।

অর্থপাচার মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা গ্রেপ্তার

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৯ October ২০২৬ ১৯:৫০

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৯ October ২০২৬ ১৯:৫০

নিজস্ব প্রতিবেদক | অধিকারপত্র ডটকম

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবিপ্রধান শফিকুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দিলীপ আগারওয়ালার বিরুদ্ধে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) একটি মামলা রয়েছে। ওই মামলার সূত্র ধরে সিআইডির অনুরোধে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তবে মামলাটি কী অভিযোগে করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি ডিবিপ্রধান। ফলে নতুন করে গ্রেপ্তারের পেছনে থাকা মামলার নির্দিষ্ট অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

 ২০২৪ সালেও গ্রেপ্তার হয়েছিলেন

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সোনা ও হীরা চোরাচালান, প্রতারণা, জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তার করেছিল র‍্যাব। ওই দিন মধ্যরাতে রাজধানীর গুলশানে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরবর্তী সময়ে ঢাকার বাড্ডায় হৃদয় আহমেদ নামের এক কিশোরকে হত্যার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ মামলায় তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করে পুলিশ।

পরে জামিনে কারামুক্ত হন দিলীপ আগারওয়ালা।

নতুন মামলায় গ্রেপ্তার, অভিযোগের বিস্তারিত প্রকাশ হয়নি

সোমবারের গ্রেপ্তারের বিষয়ে ডিবির বক্তব্য অনুযায়ী, সিআইডির একটি মামলার সূত্র ধরে সংস্থাটির অনুরোধে দিলীপ আগারওয়ালাকে আটক করা হয়েছে। তবে মামলার ধারা, অভিযোগের প্রকৃতি কিংবা তদন্তের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

দিলীপ আগারওয়ালার বিরুদ্ধে আগে ওঠা অভিযোগ এবং বর্তমান মামলার বিষয়টি আলাদা করে বিবেচনা করা জরুরি। নতুন মামলার অভিযোগের বিস্তারিত প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

আরও অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে, সিআইডির করা অর্থপাচার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। মামলায় স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহের আড়ালে ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকা অর্থপাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে বলে বাংলা এডিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। এটি তদন্তাধীন অভিযোগ—আদালতে প্রমাণিত অপরাধ নয়।