05/29/2026 সেনা সদস্যদের সঙ্গে ঈদুল আযহার আনন্দ ভাগাভাগি ও শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর
odhikarpatra
২৮ May ২০২৬ ১৬:৪৬
ঢাকা | বৃহস্পতিবার | ২৮ মে ২০২৬
অধিকার পত্র ডটকম।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সেনা সদস্যদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার, জেসিও ও সৈনিকদের সঙ্গে ঈদ প্রীতিভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
অনুষ্ঠানস্থলে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান এবং ২৫ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, বহু বছর পর নিজের পুরোনো ও স্মৃতিবিজড়িত সেনানিবাস এলাকায় এসে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও আবেগাপ্লুত।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনানিবাসের পরিবেশ, শৃঙ্খলা, সহযোদ্ধাসুলভ বন্ধন এবং সেনা সদস্যদের আন্তরিকতা তাঁর কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয়।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নত পেশাদারিত্ব, দায়িত্ববোধ এবং দুর্যোগ মোকাবিলাসহ দেশের যেকোনো প্রয়োজনে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর ঐতিহ্য জাতির জন্য গর্বের বিষয়।
দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় রাষ্ট্রের আস্থার প্রতীক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেম নিয়ে দেশের সেবায় নিয়োজিত থাকবে।
প্রীতিভোজ শেষে প্রধানমন্ত্রী ইউনিটের সৈনিক লাইন পরিদর্শন করেন। পরে ইউনিট প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এছাড়া তিনি অফিসার, জেসিও ও অন্যান্য পদবির সৈনিকদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন এবং সেনা সদস্যদের সঙ্গে জোহরের নামাজ আদায় করেন।
ঈদের দিনে প্রধানমন্ত্রীর এই উপস্থিতি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ, অনুপ্রেরণা ও গৌরবের অনুভূতি সৃষ্টি করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।