odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Wednesday, 21st January 2026, ২১st January ২০২৬
যশোর শহরের শংকরপুরে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হলো ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেনকে

যশোরে মাথায় গুলি করে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৩ January ২০২৬ ২৩:৫৯

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৩ January ২০২৬ ২৩:৫৯

যশোর প্রতিনিধি, অধিকার পত্র ডটকম
যশোর
০৩ জানুয়ারি ২০২৬

📝 সংবাদ বিবরণ

যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে বিএনপির এক নেতাকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে মাথায় গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত বিএনপি নেতার নাম আলমগীর হোসেন (৫৫)। তিনি যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং যশোর নগর বিএনপির সাবেক সদস্য ছিলেন। তিনি শংকরপুর এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের বরাতে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যার পর আলমগীর হোসেন শংকরপুর বটতলা এলাকা থেকে মোটরসাইকেলে করে নিজ বাড়ির দিকে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে হুদা মেমোরিয়াল একাডেমির সামনে পৌঁছালে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তার মাথা লক্ষ্য করে একাধিক গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়।

স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল সূত্র জানায়, নিহতের মাথার দুই পাশে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আবুল বাশার জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। নিহতের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক বিরোধসহ সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে নিহত আলমগীর হোসেনের মরদেহ দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম (অমিত)। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।

সাংবাদিকদের অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, অতীতের মতো বর্তমান সময়েও পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতা-কর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে, যা গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের জন্য হুমকিস্বরূপ।

স্থানীয়দের দাবি, ব্যক্তিগত জীবনে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে কারও প্রকাশ্য বিরোধ ছিল না। তিনি জমি কেনাবেচার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং পরিচিত ছিলেন শান্ত ও ভদ্র ব্যক্তি হিসেবে।

নিহতের ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, তার ভাইয়ের কোনো শত্রু ছিল না। কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা তারা বুঝতে পারছেন না এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: