odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Friday, 17th April 2026, ১৭th April ২০২৬
ট্রাম্পের ঘোষণায় কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত, চলমান সংঘাতে নিহত দুই হাজারের বেশি

৩৪ বছর পর ইসরায়েল-লেবানন সরাসরি সংলাপের উদ্যোগ, যুদ্ধবিরতির আশা জোরদার

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৬ April ২০২৬ ১৮:৪৬

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৬ April ২০২৬ ১৮:৪৬

অধিকার পত্র ডটকম 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

দীর্ঘ ৩৪ বছর পর ইসরায়েল ও লেবাননের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সরাসরি সংলাপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুই দেশের নেতারা প্রথমবারের মতো সরাসরি কথা বলবেন। এতে চলমান সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এই ঘোষণা এমন সময় এলো, যখন লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এবং দক্ষিণাঞ্চলে স্থল আক্রমণ আরও জোরদার হয়েছে। গত ছয় সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতে ইতোমধ্যে দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখেরও বেশি মানুষ।

ইসরায়েলের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন বিষয়ক মন্ত্রী Gila Gamliel জানিয়েছেন, দেশটির প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu লেবাননের প্রেসিডেন্ট Joseph Aoun-এর সঙ্গে এই সংলাপে অংশ নেবেন।

এদিকে, লেবাননের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য না এলেও আঞ্চলিক পর্যায়ে যুদ্ধবিরতির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf বলেছেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করা তাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এর আগে ওয়াশিংটনে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে একটি বিরল সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যা ছিল কয়েক দশকের মধ্যে প্রথম যোগাযোগ। যদিও সেই বৈঠক থেকে কোনো সমাধান আসেনি, তবে নতুন এই উদ্যোগে পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী Hezbollah-এর মধ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। তবে এই যুদ্ধবিরতি লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর সংঘর্ষে প্রযোজ্য কি না, তা নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সংলাপ সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানোর ক্ষেত্রে এটি একটি বড় অগ্রগতি হতে পারে। তবে বাস্তবিক ফল পেতে হলে উভয় পক্ষের আন্তরিকতা এবং আন্তর্জাতিক চাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: