odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Thursday, 27th August 2026, ২৭th August ২০২৬
ইরান ইস্যুতে মন্তব্য ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র–জার্মানি সম্পর্কে উত্তেজনা, ন্যাটো নিয়েও নতুন প্রশ্ন

জার্মানি থেকে সেনা প্রত্যাহারের হুমকি ট্রাম্পের, চ্যান্সেলর মার্ৎসকে কড়া আক্রমণ

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৩০ April ২০২৬ ২৩:১৮

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৩০ April ২০২৬ ২৩:১৮

অধিকারপত্র ডটকম আন্তর্জাতিক ডেক্স

মূল প্রতিবেদন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump জার্মানি থেকে মার্কিন সেনা কমিয়ে আনার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে হুমকি দিয়েছেন। এই হুমকির পেছনে জার্মান চ্যান্সেলর Friedrich Merz-এর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনা কাজ করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বুধবার দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প জানান, জার্মানিতে অবস্থানরত মার্কিন সেনা সংখ্যা কমানোর বিষয়টি তিনি “পর্যালোচনা করছেন”। বর্তমানে জার্মানিতে প্রায় ৩৫ হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে, যা ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত।

এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয়, যখন মার্ৎস এক অনুষ্ঠানে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সুস্পষ্ট কৌশল নেই এবং দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে প্রবেশের পর বেরিয়ে আসাও বড় চ্যালেঞ্জ—যার উদাহরণ হিসেবে আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধের কথা উল্লেখ করেন।

মার্ৎসের এমন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেন, জার্মান চ্যান্সেলর ইরানের পক্ষ নিচ্ছেন এবং তার বক্তব্যকে “ভুল ও অজ্ঞতাপূর্ণ” বলে আখ্যা দেন। একই সঙ্গে জার্মানির অর্থনৈতিক অবস্থাও সমালোচনা করেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, জার্মানি ইউরোপে মার্কিন সামরিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এখান থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অভিযানে সহায়তা দেওয়া হয়। ইতালি ও যুক্তরাজ্যেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।

এদিকে, এই ইস্যুতে NATO জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ট্রাম্প অতীতেও ন্যাটো নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জোটে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সামরিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, ইউরোপে সেনা কমানো হলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়তে পারে, বিশেষ করে Vladimir Putin-এর নেতৃত্বে রাশিয়ার সম্ভাব্য পদক্ষেপের প্রেক্ষাপটে।

তবে ট্রাম্পের এ ধরনের হুমকি অতীতেও অনেক সময় বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে এবার তিনি সত্যিই সিদ্ধান্ত নেবেন, নাকি এটি কূটনৈতিক চাপের অংশ—তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: