odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Thursday, 9th July 2026, ৯th July ২০২৬
উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা, যুদ্ধবিরতি নিয়েও অনিশ্চয়তা

আরব আমিরাত-ইরান উত্তেজনা বৃদ্ধি, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৪ May ২০২৬ ১১:১২

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৪ May ২০২৬ ১১:১২

অধিকার পত্র ডেস্ক প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া একাধিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। একইসঙ্গে যুদ্ধবিরতি টিকে থাকবে কিনা তা নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১০ মে ইরান থেকে নিক্ষেপ করা দুটি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর শুরু হওয়া সংঘাতের পর থেকে দেশটি এখন পর্যন্ত ৫৫১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ২৯টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২৬৫টি ড্রোন প্রতিহত করেছে বলে দাবি করেছে।

এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, যদিও আবুধাবি আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কিছু স্বীকার করেনি। প্রতিবেদনে ইরানের লাভান দ্বীপের একটি তেল শোধনাগারে হামলার কথাও উল্লেখ করা হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ বলেছেন, তাদের দেশ কূটনৈতিক সমাধানে বিশ্বাসী হলেও আত্মরক্ষার অধিকার সংরক্ষণ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, আরব আমিরাত এই সংঘাত চায়নি এবং যুদ্ধ এড়ানোর চেষ্টা করেছে।

তিনি আরও বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে আরব ও ইরানের সম্পর্ক সংঘাতনির্ভর হতে পারে না।

প্রায় এক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও পরিস্থিতি এখনো অস্থিতিশীল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে রেখেছে বলে জানা গেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে।

বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সাধারণত হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই অবরোধ বিশ্ব অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে দেশটির বন্দরগুলোতে অবরোধ জোরদার করেছে। এর মধ্যেই ইরান যুদ্ধের অবসান এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার শর্ত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাল্টা প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump ওই প্রস্তাবকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” এবং “আবর্জনা” বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান যুদ্ধবিরতি “মারাত্মক সংকটাপন্ন অবস্থায়” রয়েছে।

এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf বলেছেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যে কোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: