odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Monday, 18th May 2026, ১৮th May ২০২৬
লোহার শিকল দিয়ে হামলার অভিযোগ; আহত শিক্ষার্থী সদর হাসপাতালে ভর্তি, প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ

বন্ধুকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ কুবি শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৭ May ২০২৬ ২৩:৪০

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৭ May ২০২৬ ২৩:৪০

কুবি প্রতিনিধি,অধিকারপত্র ডটকম 

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-এর গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী আকরাম চৌধুরীর ওপর হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে একই বিভাগের সহপাঠী শাহপরান হোসাইনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।

রোববার (১৭ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ‘মামা হোটেল’-এর সামনে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শাহপরান হোসাইন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক সংলগ্ন মামা হোটেলের সামনে আকরাম চৌধুরীর ওপর পিছন থেকে লোহার শিকল দিয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে তার মাথা, চোখ, হাত ও পিঠে গুরুতর আঘাত লাগে এবং রক্তক্ষরণ হয়। পরে ঘটনাস্থলে থাকা শিক্ষার্থীরা তাকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, সদর হাসপাতালে তার চোখের উপরের অংশে পাঁচটি ও নিচে তিনটি সেলাই দেওয়া হয়। এছাড়া মাথার পেছনে গুরুতর আঘাতের কারণে সিটিস্ক্যান করানো হয় এবং হাত ও পিঠে ব্যান্ডেজ করা হয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে আকরাম চৌধুরী বলেন, “আমি ক্লাসে যাওয়ার পথে মামা হোটেলের সামনে পৌঁছালে শাহপরান পিছন থেকে হামলা করে। প্রথমে চোখের ওপরে আঘাত করলে আমি মাটিতে পড়ে যাই। এরপর সে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকে। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সে দ্রুত সেখান থেকে চলে যায়।”

কী কারণে হামলা করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি জানি না কেন আমাকে মারধর করা হয়েছে। হঠাৎ করেই সে হামলা শুরু করে।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহপরান হোসাইনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হুসাইন বলেন, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী প্রক্টর বরাবর অভিযোগ দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটি বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, “অভিযোগপত্র পেয়েছি। অফিস সময় শেষ হওয়ার পরে অভিযোগ পাওয়ায় তাৎক্ষণিক সভা করা সম্ভব হয়নি। উপাচার্যের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে। পরবর্তীতে সভা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

প্রতিবেদন: শাহরিয়ার হাসান জুবায়ের



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: