odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Saturday, 13th June 2026, ১৩th June ২০২৬
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সামরিক অবকাঠামোয় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি

মার্কিন হামলায় ইরানের ৫০টির বেশি সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত, স্যাটেলাইট চিত্রে উঠে এলো নতুন তথ্য

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১২ June ২০২৬ ২৩:১৩

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১২ June ২০২৬ ২৩:১৩

ছবি বিবিসি ইংরেজি  থেকে 

অধিকার পত্র ডটকম

প্রকাশিত: ১২ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় দেশটির ৫০টিরও বেশি সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট কোম্পানির ধারণ করা ছবিতে ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন দেখা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, বিমান প্রতিরক্ষা ঘাঁটি, রাডার স্টেশন, গোলাবারুদ সংরক্ষণাগার এবং সামরিক কমান্ড স্থাপনা। বেশ কয়েকটি স্থানে ভবন ধ্বংস, বাঙ্কার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংসের দৃশ্য স্যাটেলাইট চিত্রে শনাক্ত করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দুর্বল করা এবং দেশটির কৌশলগত সামরিক অবকাঠামোকে অকার্যকর করে দেওয়া। বিশেষ করে ভূগর্ভস্থ স্থাপনা, রাডার নেটওয়ার্ক এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর একাধিক সমন্বিত হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে ইরান সরকার দাবি করেছে, হামলায় কিছু স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তাদের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি। দেশটির কর্মকর্তাদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ অনেক সামরিক সম্পদ এখনও কার্যকর রয়েছে এবং সশস্ত্র বাহিনী পূর্ণ সক্ষমতায় দায়িত্ব পালন করছে।

সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ চলমান থাকায় উভয় পক্ষই তথ্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। ফলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন। তবুও স্যাটেলাইট চিত্রগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে সংঘাতের শুরু থেকে ইরানের সামরিক অবকাঠামো উল্লেখযোগ্য চাপের মুখে রয়েছে।

এদিকে, চলমান হামলা ও পাল্টা হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। কূটনৈতিক সমাধান না এলে সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।

বিবিসি



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: