অধিকার পত্র ডেস্ক/ নগর প্রতিবেদক,ঢাকা ৩১ শে আগস্ট ২০২৬/
প্রখ্যাত চিত্রনায়ক সালমান শাহকে (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় তার স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রোববার (৩০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিচারক নতুন করে ২৯ সেপ্টেম্বর দিন নির্ধারণ করেন।
এর আগে, ২০২৫ সালের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার আসামিরা হলেন—সালমান শাহের স্ত্রী সামীরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। মামলায় আরও অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের মৃত্যুর পর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর পরদিন ২১ অক্টোবর সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর দাবি করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের নিউ ইস্কাটনের বাসায় তার মা নীলা চৌধুরী, বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী এবং ছোট ভাই শাহরান শাহ যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন সালমান ঘুমাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পর প্রডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে সালমানের অসুস্থতার কথা জানান।
পরিবারের সদস্যরা দ্রুত বাসায় ফিরে সালমানকে শয়নকক্ষে নিথর অবস্থায় দেখতে পান। অভিযোগে বলা হয়, সেখানে কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছিলেন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে পরিবারের সদস্যরা তার গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
সালমান শাহকে প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, সালমানের বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী তার মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করেছিলেন। সেখানে রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানানো হয়।
মামলার বাদী মোহাম্মদ আলমগীর জানান, সালমানের পিতার মৃত্যুর পর তিনি তার বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন। মামলায় অভিযুক্তদের কেউ মারা গিয়ে থাকলে প্রমাণ সাপেক্ষে তারা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন। তবে অভিযোগের এসব বিষয় এখনো আদালতে বিচারাধীন এবং তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়Excerp
চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় তার স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। :::
#সালমা শাহহত্যা, #সালমানশাহ #হত্যামামলা, #সামীরাহক, #সালমানশাহ,# ১১জনেরবিরুদ্ধেপ্রতিবেদন, #রমনাথানারমামলা, #চিত্রনায়কসালমানশাহ
চিত্রনায়ক সালমান শাহ রমনা থানার মামলা ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন সালমান শাহ সামীরা হ সালমান শাহ হত্যা মামলা সালমান শাহ হত্যা

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: