অধিকারপত্র ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন আর নেই। দীর্ঘদিন ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৭টায় ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে চলছিল চিকিৎসা.jpg)
প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন দুই বছরের বেশি সময় ধরে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। সেখানে অ্যাপোলো হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত ৪ অক্টোবর রাতে তাঁকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়।
দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইয়ের পর শনিবার সকালে তাঁর মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসে। আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তাঁর মৃত্যুর তথ্য জানান এবং শোক প্রকাশ করেন।
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন পাঁচ বছর
মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপন।
ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া রোটন পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। ২০২১ সালে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটিতেও তাঁকে সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল।
শোক প্রকাশ
রোটনের মৃত্যুতে মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে তাঁর সঙ্গে ছাত্ররাজনীতির সময়কার স্মৃতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মৃত্যুতে তাঁর পরিবার, স্বজন ও রাজনৈতিক সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দিন।
