অধিকারপত্র ডটকম |১৭ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুর প্রতিনিধি :
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে কারখানার ছয়তলা ভবনের নিচতলার একটি স্টোরে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রথমে কালিয়াকৈর ও কোনাবাড়ী ফায়ার স্টেশনের চারটি ইউনিট কাজ শুরু করে। পরে গাজীপুর চৌরাস্তা ফায়ার স্টেশন থেকে আরও দুটি ইউনিট পাঠানো হয়েছে বলে প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
তবে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে কি না, অগ্নিকাণ্ডে কেউ হতাহত হয়েছেন কি না এবং কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে—এসব বিষয়ে নির্ভরযোগ্যভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বিস্তারিত সংবাদ প্রতিবেদন
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৪টা ২২ মিনিটের দিকে কারখানার নিচতলার স্টোরে আগুনের সূত্রপাত হয়। এর দুই মিনিট পর, বিকেল ৪টা ২৪ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ও কোনাবাড়ী ফায়ার স্টেশনের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রথম ইউনিটটি বিকেল ৪টা ৩৪ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রায়হান অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে সরবরাহ করা তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তার জন্য গাজীপুর চৌরাস্তা ফায়ার স্টেশন থেকে আরও দুটি ইউনিট রওনা হয়। সংবাদমাধ্যম বার্তা২৪-এর শিরোনামেও পরবর্তী সময়ে ছয়টি ইউনিটের আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে যুক্ত হওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।
আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে যা জানা যাচ্ছে
তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। কারখানার স্টোরে কী ধরনের সামগ্রী ছিল, আগুন অন্য কোনো অংশে ছড়িয়ে পড়েছিল কি না, কিংবা উৎপাদন কার্যক্রমে কী প্রভাব পড়েছে—এসব তথ্যও নিশ্চিত নয়।
এ ঘটনায় হতাহতের কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। তাই কেউ আহত বা নিহত হয়েছেন—এমন দাবি করার মতো নিশ্চিত তথ্যও এই মুহূর্তে নেই। একইভাবে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার সুনির্দিষ্ট সময় এবং আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত প্রকাশ করা সমীচীন হবে না।
ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানাটি গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুরে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ওয়েবসাইটেও সফিপুর, কালিয়াকৈর, গাজীপুরে কারখানার অবস্থানের তথ্য রয়েছে।
:
গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সফিপুরে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানায় আগুন। অগ্নিনির্বাপণে ছয়টি ইউনিট কাজ করছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিশ্চিত নয়।
গুরুত্বপূর্ণ আপডেট: এই অনুসন্ধানে ছয়টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে যুক্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে, তবে আগুন পুরোপুরি নেভানো হয়েছে কি না, হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব এবং অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত করা যায়নি।
