odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Wednesday, 21st January 2026, ২১st January ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশালে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে সাবেক ছাত্রদল নেতাকে হাতকড়া পরিয়ে তুলে নেওয়ার চেষ্টা। স্থানীয়দের প্রতিরোধে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। বিস্তারিত পড়ুন অধিকার পত্র ডটকম; লিংক কমেন্টে

ময়মনসিংহে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে সাবেক ছাত্রদল নেতাকে হাতকড়া পরিয়ে তুলে নেওয়ার চেষ্টা

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২৫ December ২০২৫ ২৩:৩৫

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২৫ December ২০২৫ ২৩:৩৫

 

ময়মনসিংহের ত্রিশালে ভুয়া গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে সাবেক এক ছাত্রদল নেতাকে হাতকড়া পরিয়ে তুলে নেওয়ার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ত্রিশাল উপজেলার বীর রামপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সভাপতি রেজাউল করিম (৩২) গফাকুড়ি বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে পাঁচজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাঁর পথরোধ করে। এ সময় তাঁকে কোনো প্রকার ওয়ারেন্ট দেখানো ছাড়াই দ্রুত হাতে হাতকড়া পরানো হয়।

অভিযোগ রয়েছে, পাঁচজনের মধ্যে দুজন রেজাউল করিমকে মারধর করতে করতে একটি নির্জন মাঠের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সন্দেহ হওয়ায় তিনি চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়। তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ভুয়া ডিবি সদস্যরা দ্রুত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর রেজাউল করিমের বড় ভাই এনামুল করিম জেলা ডিবি ও ত্রিশাল থানা-পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, ওই সময় ডিবির কোনো দল এলাকায় অভিযানে ছিল না।

পরে আহত অবস্থায় রেজাউল করিমকে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। থানা-পুলিশ হাতকড়া খোলার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে হাতকড়াটি কেটে খুলে দেন।

রেজাউল করিম অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি ত্রিশাল আসনে বিএনপির মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে কাফনের কাপড় পরে মিছিল করেছিলেন তিনি। ধারণা করছেন, ওই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জেরেই এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে।

ত্রিশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে এটি পূর্বশত্রুতার জেরে সংঘটিত হামলা বলে মনে হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া হাতকড়াটি পুরোনো ধাঁচের, যা একসময় পুলিশ ব্যবহার করত। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: