odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Monday, 9th February 2026, ৯th February ২০২৬
বাংলাদেশ টাইমস কার্যালয়ে সেনা অভিযান | সাংবাদিকদের তুলে নেওয়ার অভিযোগ

অফিস থেকে ২১ সাংবাদিককে তুলে নিয়ে গেল সেনাবাহিনী! 'বাংলাদেশ টাইমস'-এ মধ্যরাতের অভিযানে তোলপাড়

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৮ February ২০২৬ ২১:০২

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৮ February ২০২৬ ২১:০২

আইএসপিআর বক্তব্য | স্বাধীন সাংবাদিকতা বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: রাজধানীর নিকুঞ্জ এলাকায় অনলাইন সংবাদ মাধ্যম 'বাংলাদেশ টাইমস' কার্যালয়ে সেনাবাহিনী কর্তৃক ২১ জন সংবাদকর্মীকে তুলে নেওয়ার ঘটনায় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার রাতে সশস্ত্র অবস্থায় সেনাসদস্যরা অফিসে ঢুকে সাংবাদিকদের ক্যাম্পে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশ টাইমস-এর এডিটর ইন চিফ সাব্বির আহমেদ জানান, ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভের একটি ভিডিও রিলস আকারে প্রকাশের সূত্র ধরে এই ঘটনার সূত্রপাত। ওই ভিডিওতে জনৈক এক নারীর বক্তব্য নিয়ে আপত্তি তুলে প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হয় এবং পরবর্তীতে রাত সাড়ে নয়টার দিকে সেনাসদস্যরা অফিসে প্রবেশ করেন।

তিনি বলেন, "সেনাসদস্যরা নিউজরুমে ঢুকে 'হারি আপ হারি আপ' বলে সশস্ত্র অবস্থায় ২১ জন সহকর্মীকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।"
ঘটনার পর বাংলাদেশ টাইমস-এর ভেরিফায়েড পেজ থেকে লাইভ এবং পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। রাত ১১টার দিকে উত্তরা সেনা ক্যাম্পের সামনে থেকে সাংবাদিকরা জানান, প্রথমে ১৬ জন এবং পরে বাকি ৫ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠানটির ভিজুয়াল এডিটর আল মামুন মিয়া জানান, ক্যাম্পে নেওয়ার পর তাদের ফোন ও ঘড়ি রেখে দেওয়া হয় এবং সেনাপ্রধানকে নিয়ে জনৈক এক ব্যক্তির করা মন্তব্যের ভিডিওটি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এছাড়া আটক সংক্রান্ত ফেসবুক পোস্টটি ডিলিট করার জন্যও চাপ দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এদিকে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)-এর পরিচালক লে. কর্নেল সামি উদ দৌলা চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, বিষয়টি ছিল মূলত 'ভুল বোঝাবুঝি' এবং আলোচনার পর সাংবাদিকদের পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সমাধান হয়ে গেছে বলেও তিনি দাবি করেন।

তবে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে একটি গণমাধ্যম কার্যালয়ে সশস্ত্র বাহিনীর এমন প্রবেশ ও সাংবাদিকদের তুলে নেওয়ার ঘটনাকে স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য একটি 'খারাপ দৃষ্টান্ত' ও 'উদ্বেগজনক বার্তা' হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: