অধিকারপত্র ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে প্রথমে অস্বীকৃতি জানান সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম। পরে প্রসিকিউশনের নির্দেশে প্রায় দুই ঘণ্টা পর তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাকে ট্রাইব্যুনালে আনার চেষ্টা করলে তিনি অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার ও চিফ প্রসিকিউটরকে জানালে তারা কারণ জানতে চান। তবে কারা কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় যেকোনো মূল্যে তাকে হাজির করার মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরে নির্দেশ কার্যকর করে নির্ধারিত সময়ের কিছুক্ষণ পরই তাকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।
এদিন মামলায় অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ দেওয়ার কথা রয়েছে ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চের।
এর আগে, গত মার্চ মাসে কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেনন-এর পক্ষে তাদের আইনজীবী অব্যাহতির আবেদন করেন। তিনি দাবি করেন, অভিযোগের পক্ষে প্রসিকিউশন যথেষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি এবং হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ নেই।
অন্যদিকে, প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বলা হয়—তারা তৎকালীন সরকারের পক্ষে থেকে আন্দোলন দমনে উসকানি দিয়েছেন এবং সহিংসতার পরিস্থিতি তৈরিতে ভূমিকা রেখেছেন।
রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশ এলাকায় একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এই মামলায় তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
আজই এই মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আদেশ আসতে পারে বলে জানা গেছে।
কামরুল ইসলাম ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধ রাশেদ খান মেনন বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার বাংলাদেশ রাজনীতি

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: