odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Friday, 22nd May 2026, ২২nd May ২০২৬
প্রতারণা মামলায় জরিমানা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা

বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২১ May ২০২৬ ২৩:৫৯

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২১ May ২০২৬ ২৩:৫৯

প্রকাশিত: ২০ মে ২০২৬, বুধবার

অধিকার পত্র ডেস্ক:

রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের করা প্রতারণা মামলায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ–এর সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম–এর আদালত এ রায় দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন হিরন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালত বিদিশার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করেছেন।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ফোনে বিদিশা সিদ্দিক বলেন, তিনি মামলার বিষয়ে অবগত নন এবং এ সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাদী মোশাররফ হোসেন মিরপুর-১০ এলাকায় স্যানিটারি পণ্যের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী। ২০০১ সালে বারিধারার একটি ফ্ল্যাট কেনার উদ্দেশ্যে বিদিশার সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়। পরে বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য ৮০ লাখ টাকায় চুক্তি সম্পন্ন হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ২০০১ সালের ১০ জুলাই বিদিশা তার মনোনীত ব্যক্তি ও বন্ধু আব্দুল রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে বলেন। বাদী স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কাওরান বাজার শাখার মাধ্যমে ওই অর্থ পরিশোধ করেন। পরে উভয়ের মধ্যে বায়নানামা সম্পাদিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে বাকি অর্থ পরিশোধের পর ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল। ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘ সময় পার হলেও তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চাপ দিলে বিদিশা টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হলেও ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সেটি ডিজঅনার হয়।

বাদীর অভিযোগ, এরপর বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয় এবং টাকা কিংবা ফ্ল্যাট কোনোটিই বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি টাকা ফেরত বা ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি করলে সন্ত্রাসী দিয়ে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

 



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: