odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Saturday, 5th September 2026, ৫th September ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঋণখেলাপির গ্যারান্টার, বিলখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থী না করার পক্ষে ইসি

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২১ July ২০২৬ ২৩:০১

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২১ July ২০২৬ ২৩:০১

অধিকারপত্র ডটকমনিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ জুলাই ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ঋণখেলাপির গ্যারান্টার, বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি ও ভূমি করের বিলখেলাপি, এমপিওভুক্ত শিক্ষক, লাভজনক পদে থাকা ব্যক্তি এবং দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ না দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বিষয়টি জানান ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সংক্রান্ত পাঁচটি আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুপারিশ স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। সরকার উপযুক্ত মনে করলে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেবে।

তিনি জানান, কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যক্তিগত ঋণখেলাপির পাশাপাশি কোনো ঋণের গ্যারান্টার হয়ে খেলাপি হলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নির্বাচনে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ওয়াসা, ভূমি করসহ বিভিন্ন সরকারি বা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের বকেয়া বিল থাকলেও প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকবে না। কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা কর্ণধারের প্রতিষ্ঠানের নামে বকেয়া থাকলেও সেটি অযোগ্যতার কারণ হিসেবে গণ্য হবে।

ইসি সচিব আরও বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক, লাভজনক পদে কর্মরত ব্যক্তি এবং দ্বৈত নাগরিকদেরও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না রাখার বিষয়ে কমিশন নীতিগতভাবে একমত হয়েছে।

এছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচ স্তরের আইন—সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ আইনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীকেও আইনি কাঠামোর আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে বলে জানান ইসি সচিব।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আচরণবিধিও সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং কমিশনের গৃহীত সুপারিশগুলো দ্রুত স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংক্রান্ত বিষয়ে আখতার আহমেদ জানান, বর্তমানে ১৬ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে কোন শ্রেণি বা বয়স থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু করা হবে, সে বিষয়ে পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: