প্রকাশিত: ২৯ মে ২০২৬,
অধিকারপত্র ডেস্ক রিপোর্ট
মূল প্রতিবেদন:
ঢাকা: বিশ্বমঞ্চে বিজ্ঞান ও গবেষণায় অনন্য এক গৌরব বয়ে এনেছেন বাংলাদেশের তরুণ অণুজীববিজ্ঞানী মারজানা আক্তার।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’ (Asian Scientist Magazine)-এর পক্ষ থেকে প্রকাশিত এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় স্থান পেয়েছেন তিনি।
ভাইরোলজি ও বায়োসিকিউরিটি গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে মারজানা আক্তার জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দফতর (UNODA) কর্তৃক অত্যন্ত সম্মানজনক “ইয়ং উইমেন ফর বায়োসিকিউরিটি ফেলোশিপ”-এর জন্য নির্বাচিত হন।
বিশ্বের ১৯৩টি দেশের অসংখ্য আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে যে মাত্র ১০ জন তরুণ নারী বিজ্ঞানীকে এই ফেলোশিপের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল, মারজানা ছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম এবং একমাত্র বাংলাদেশি।
মারজানা আক্তার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) থেকে মাইক্রোবায়োলজিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পোলট্রি শিল্প নিয়ে গবেষণা করার সময় তিনি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো মুরগির মারাত্মক রোগ সৃষ্টিকারী ‘চিকেন ইনফেকশাস অ্যানিমিয়া ভাইরাস’ (CIAV)-এর একটি নতুন স্ট্রেইন (Genotype IIIb strain) শনাক্ত করেন এবং সফলভাবে এর জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করেন।
তাঁর এই যুগান্তকারী আবিষ্কার দেশের পোলট্রি খাতের সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখছে।
উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুরের ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’ সাময়িকীটি ২০১৬ সাল থেকে প্রতিবছর এশিয়ার সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিশীল ও সফল গবেষকদের এই তালিকা প্রকাশ করে আসছে।
এর আগে বাংলাদেশ থেকে খ্যাতনামা বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসী কাদরী এবং ড. সেঁজুতি সাহা এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় স্থান পেয়েছিলেন।
মারজানা আক্তারের এই বৈশ্বিক স্বীকৃতি দেশের বিজ্ঞান ও তরুণ প্রজন্মের গবেষকদের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা।
আপনার মূল্যবান মতামত দিন: