odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Monday, 7th September 2026, ৭th September ২০২৬

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রথম বৈঠক তুরস্কে

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৬ September ২০২৬ ২৩:৫৭

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৬ September ২০২৬ ২৩:৫৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | অধিকার পত্র ডটকম

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকটি ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

তিন দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সামরিক বাহিনীর প্রধানদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির এই বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা এবং সামরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

অংশ নেবেন তিন দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা

বৈঠকে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াশার গুলের এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারওগ্লু অংশ নেবেন।

পাকিস্তানের পক্ষে থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।

সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলে থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল ফাইয়াদ বিন হামেদ আল-রুয়াইলি।

সামরিক সমন্বয় ও প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা

চুক্তির আওতায় গঠিত কমিটির মূল দায়িত্ব হলো তিন দেশের যৌথ কার্যক্রমে কৌশলগত দিকনির্দেশনা দেওয়া।

বৈঠকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো এবং তিন দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করার বিষয় গুরুত্ব পাবে।

এ ছাড়া প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ উৎপাদন, গবেষণা ও উন্নয়ন এবং সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

যৌথ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কমিটির সচিবালয় ও প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক কাঠামোর রূপরেখা নির্ধারণের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাও বৈঠকে চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

যেকোনো এক দেশে হামলা হলে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা

গত ৭ আগস্ট মক্কায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর হামলাকে সব পক্ষের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

চুক্তির লক্ষ্য আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে নিরাপত্তা, শান্তি ও স্থিতিশীলতা জোরদার এবং তিন দেশের যৌথ প্রতিরোধ সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

আন্তর্জাতিক আইন মেনে শান্তিপূর্ণ সহযোগিতায় আগ্রহী অন্য পক্ষগুলোর জন্যও ভবিষ্যতে এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: