odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Tuesday, 4th August 2026, ৪th August ২০২৬
ঢাকায় কমপারেটিভ গভর্ন্যান্স ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও জোরদারের প্রত্যাশা

রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৩ August ২০২৬ ২২:২৬

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৩ August ২০২৬ ২২:২৬

: ০৩ আগস্ট ২০২৬ | সোমবার | অধিকার পত্র ডটকম নিজস্ব প্রতিবেদক।

ঢাকা: ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনমুখী, বাস্তববাদী ও দক্ষ নেতৃত্ব বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তিনি বলেন, এই নেতৃত্ব দেশের উন্নয়ন-সংক্রান্ত জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সোমবার রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী ‘কমপারেটিভ গভর্ন্যান্স ফোরাম ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন সবসময় বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু, ভালো প্রতিবেশী এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে পাশে থাকবে। উন্নয়নের গতি ধরে রাখতে রাজনৈতিক ঐক্য, সামাজিক স্থিতিশীলতা, অর্থনীতির বহুমুখীকরণ এবং অনুকূল আন্তর্জাতিক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চীনের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চেন ঝিমিন। এছাড়া বক্তব্য দেন বিআইআইএস-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আ স ম রিদওয়ানুর রহমান।

রাষ্ট্রদূত বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বাংলাদেশের নতুন সরকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়নমুখী নীতি অনুসরণ করছে।

তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গত জুন মাসের চীন সফরের প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ওই সফরে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব বাংলাদেশ-চীনের সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করা এবং অভিন্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন কমিউনিটি গড়ে তোলার বিষয়ে একমত হয়েছে। তাঁর ভাষায়, সফরটি ছিল দুই দেশের সম্পর্কের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বক্তব্য উদ্ধৃত করে ইয়াও ওয়েন বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যেভাবেই পরিবর্তিত হোক না কেন, বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চীন দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও জানান, দুই দেশের মধ্যে তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতার পরিধি ও মান ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় দুই দেশের জনগণের মধ্যে সংযোগ আরও সুদৃঢ় করছে।

বিআইআইএস ও ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত চার দিনের এই ফোরামে রাষ্ট্র পরিচালনায় আধুনিকায়ন, সুশাসন, দারিদ্র্য বিমোচন, ডিজিটাল গভর্ন্যান্স, ‘ফোর গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভস’ এবং ‘গ্লোবাল সাউথ’সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন: