odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Friday, 23rd October 2026, ২৩rd October ২০২৬

মারাত্মক সঙ্কটে আয়ারল্যান্ডের অর্থনীতি

odhikarpatra | প্রকাশিত: ১৬ November ২০২৪ ১৯:০২

odhikarpatra
প্রকাশিত: ১৬ November ২০২৪ ১৯:০২

ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় আয়ারল্যান্ডের অর্থনীতিতে দেখা দিয়েছে মারাত্মক সঙ্কট। ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে কর্পোরেট কর হার কমানো এবং আমদানির ওপর শুল্ক আরোপের প্রতিশ্রুতি দেয়ায় আইরিশ রফতানিতে ধস নামতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সে দেশের অর্থনীতিবিদরা।

আয়ারল্যান্ডে প্রায় হাজার খানেক মার্কিন প্রতিষ্ঠান আছে। কর্মসংস্থান হয়েছে তিন লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি কর্মীর। আইরিশ অর্থনীতিতে এসব কর্মীর অবদান ৪১ বিলিয়ন ইউরোরও বেশি।

ডাবলিন থেকে এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে ৭৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন ট্যাক্স আদায় করেছে আয়ারল্যান্ড। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে এবছর ৪৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ইউরোর পণ্য রফতানিও করেছে আয়ারল্যান্ড। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে আয়ারল্যান্ডের অর্থনীতিতে।

ট্রাম্প নির্বাচনী প্রচারণায় বলেছিলেন, তার পরিকল্পনা কর্পোরেট করের হার ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং আমদানির ওপর ১০ থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা। একইসঙ্গে মার্কিন বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান আয়ারল্যান্ড থেকে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছিলেন ট্রাম্প।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প তার দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে আয়ারল্যান্ড। এতে শঙ্কিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

ফেসবুক, অ্যাপল, ইনটেল, মাইক্রোসফট ও গুগলের মত প্রতিষ্ঠান ও রয়েছে আয়ারল্যান্ডে। বিশ্লেষকরা বলছেন, রফতানি পণ্যসহ তথ্য-প্রযুক্তি খাতেও নামতে পারে ধস।

আয়ারল্যান্ডের সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার মাকসুদুর রহমান বলেছেন, ‘ট্রাম্পের প্রস্তাবিত উচ্চ আমদানি শুল্ক নীতি আয়ারল্যান্ডের আইটি খাত এবং রফতানিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে শুল্ক নিয়ে যদি ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অর্থনৈতিক অস্থিরতা

আয়ারল্যান্ডের আইটি খাতে বড় ধাক্কা দিতে পারে।’

মার্কিন কংগ্রেসের দুই কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় কর্পোরেশন ট্যাক্সের বিষয়ে যে কোন সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বেগ পেতে হবে না ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। এটিকেই সবচেয়ে বড় ভয়ের কারণ হিসেবে দেখছেন আইরিশ অর্থনীতিবিদরা।