শনিবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এ সম্মেলনে তিনি বলেন, শহর ও গ্রামাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্য দূর করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। ধাপে ধাপে এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’ নীতিকে সামনে রেখে সরকার কাজ করছে। রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি জানান, এতে রোগের বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশ অসংক্রামক রোগের কারণে ঘটে। তাই উপজেলা পর্যায়েই ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ এসব রোগের নিয়মিত স্ক্রিনিং জরুরি। পাশাপাশি জীবনযাত্রার পরিবর্তনে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে শিগগিরই একটি সমন্বিত ই-হেলথ কার্ড চালু করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এর মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিকের স্বাস্থ্যতথ্য ডিজিটালি সংরক্ষিত থাকবে এবং দেশের যেকোনো হাসপাতালে সহজে চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হবে।
এছাড়া পর্যায়ক্রমে জাতীয় স্বাস্থ্যবীমা ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি, যাতে চিকিৎসা ব্যয়ের কারণে কোনো নাগরিক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সারাদেশে এক লাখ ‘হেলথ কেয়ারার’ নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, যার ৮০ শতাংশ নারী হবে। তারা ঘরে ঘরে গিয়ে
বাংলাদেশ স্বাস্থ্যনীতি প্রাথমিক চিকিৎসা অসংক্রামক রোগ স্বাস্থ্যবীমা ই-হেলথ কার্ড বিকেন্দ্রীকরণ উপজেলা স্বাস্থ্যসেবা

আপনার মূল্যবান মতামত দিন: