অধিকারপত্র ডটকম
আন্তর্জাতিক ডেক্স,
Donald Trump ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করার বিষয়টি আরও গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। মার্কিন প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা অগ্রগতি না হওয়া এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অসন্তোষ বাড়ছে। বিশেষ করে ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাবকে ট্রাম্প “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের বরাতে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসে জাতীয় নিরাপত্তা টিমের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প সম্ভাব্য সামরিক বিকল্পগুলো পর্যালোচনা করেছেন। প্রশাসনের একাংশ ইরানের ওপর লক্ষ্যভিত্তিক হামলার পক্ষে মত দিচ্ছে, যাতে তেহরানকে আলোচনায় ছাড় দিতে বাধ্য করা যায়। তবে অন্য একটি অংশ এখনো কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে।
এদিকে, “প্রজেক্ট ফ্রিডম” নামে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি নৌ-অভিযান পুনরায় চালুর সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে। এই পরিকল্পনার আওতায় হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে মার্কিন নৌবাহিনীর সহায়তা দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে এর আগের অভিযানটি ইরানের হামলার পর অল্প সময়ের মধ্যেই স্থগিত করা হয়েছিল।
প্রতিবেদনগুলোতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মহল “স্বল্প সময়ের কিন্তু তীব্র” সামরিক হামলার পরিকল্পনাও বিবেচনা করছে। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে অবকাঠামো, সামরিক স্থাপনা এবং পারমাণবিক সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর নাম রয়েছে।
অন্যদিকে ইরানও কঠোর অবস্থানে রয়েছে। দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার Mohammad Bagher Ghalibaf বলেছেন, ইরানের সামরিক বাহিনী “যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রস্তুত” এবং প্রতিপক্ষকে “স্মরণীয় শিক্ষা” দেওয়া হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু হলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বে বিপুল পরিমাণ তেল ও পণ্য পরিবহন হওয়ায় পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
