odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Saturday, 24th October 2026, ২৪th October ২০২৬
লিভ-ইন সঙ্গীর মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তারের পর ১০ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে মডেল শ্রদ্ধা; বোন ও গাড়িচালকও গ্রেপ্তার, পলাতক অবস্থায় আশ্রয়দাতাদের খুঁজছে পুলিশ

শিবা শর্মার মৃত্যু মামলা: কারাগারে শ্রদ্ধা দুবে, খাওয়া-দাওয়া কমিয়ে দিয়েছেন

odhikarpatra | প্রকাশিত: ২৪ October ২০২৬ ১৭:১২

odhikarpatra
প্রকাশিত: ২৪ October ২০২৬ ১৭:১২

নিজস্ব প্রতিবেদক | অধিকারপত্র ডটকম

ভারতের লখনউয়ের ক্যাফে মালিক শিবা শর্মার মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার মডেল শ্রদ্ধা দুবে কারাগারে ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করছেন না এবং অন্য বন্দিদের সঙ্গে কথাও বলছেন কম। বিলাসবহুল জীবনযাপনে অভ্যস্ত শ্রদ্ধা এখন লখনউয়ের গোসাইগঞ্জ জেলা কারাগারে ৪৫ জন নারী বন্দির সঙ্গে দিন কাটাচ্ছেন বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

শিবা শর্মার মৃত্যুর ঘটনায় গত ২০ অক্টোবর মহারাষ্ট্রের নাগপুর থেকে শ্রদ্ধা, তাঁর বোন রশ্মি এবং গাড়িচালক আদিলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতে হাজির করা হলে তিনজনকে ১০ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

কারাগারে চুপচাপ থাকছেন শ্রদ্ধা ও তাঁর বোন

কারা সূত্রের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারাগারে নেওয়ার পর প্রথমে শ্রদ্ধা ও তাঁর সঙ্গীদের নিভৃতবাসে রাখা হয়। পরে তাঁদের নির্ধারিত কক্ষে স্থানান্তর করা হয়। শ্রদ্ধা ও তাঁর বোন রশ্মিকে রাখা হয়েছে ৪৫ জন নারী বন্দির সঙ্গে।

কারা সূত্রের দাবি, দুই বোনের আচরণে উদ্বেগের ছাপ দেখা যাচ্ছে। তাঁরা বেশির ভাগ সময় চুপচাপ বসে থাকছেন। মাঝেমধ্যে নিজেদের মধ্যে কথা বললেও অন্য বন্দিদের সঙ্গে খুব একটা মিশছেন না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কারাগারে প্রথম রাতেও শ্রদ্ধা স্বাভাবিকভাবে খাওয়া-দাওয়া করেননি। রাতে তাঁকে রুটি, ডাল, আলু-সয়াবিন ও মেথি শাকের তরকারি দেওয়া হলেও তিনি তা খেতে চাননি। রাতেও দীর্ঘ সময় জেগে ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ভোর ৬টার দিকে অন্য বন্দিদের সঙ্গে তাঁকেও ঘুম থেকে উঠতে হয়।

 পরিবারের কেউ দেখা করতে যাননি

গ্রেপ্তারের পর থেকে শ্রদ্ধা ও রশ্মির সঙ্গে দেখা করতে পরিবারের কেউ কারাগারে আসেননি বলে কারা সূত্র জানিয়েছে।

কারাগারের জেলর ঋত্বিক প্রিয়দর্শীর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই বোনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হয়েছে।

আশ্রয়দাতাদের খুঁজছে পুলিশ

শিবা শর্মার মৃত্যুর পর শ্রদ্ধা, তাঁর বোন ও গাড়িচালককে পালিয়ে থাকতে সহায়তাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় শ্রদ্ধার প্রেমিক আমির শেখের নাম সামনে এসেছে।

অভিযোগ রয়েছে, আমির ও তাঁর সহযোগীরা শ্রদ্ধা, রশ্মি ও আদিলকে কানপুর, নাগপুর এমনকি নেপালেও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। আমিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অন্য সহযোগীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেপালে অবস্থানকালে পুলিশের নজরে আসার পর গ্রেপ্তার এড়াতে তাঁরা ভারতে ফিরে আসেন। পরে নাগপুরে আশ্রয় নেওয়ার পর সেখান থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 চারতলা থেকে পড়ে শিবা শর্মার মৃত্যু

গত ৯ অক্টোবর লখনউয়ের একটি আবাসনের চারতলা থেকে পড়ে মারা যান ক্যাফে মালিক শিবা শর্মা। ওই আবাসনেই শ্রদ্ধা দুবের সঙ্গে তাঁর লিভ-ইন সম্পর্ক ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিবার মৃত্যুর ঘটনায় শ্রদ্ধার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তবে শ্রদ্ধা সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, শিবা আত্মহত্যা করেছেন।

মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনায় কারও অপরাধমূলক সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তা তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে। অভিযোগ ওঠা বা গ্রেপ্তার হওয়া নিজে থেকেই কারও অপরাধ প্রমাণ করে না।

 

 

 

 

 বিলাসবহুল জীবন থেকে কারাগারে শ্রদ্ধা দুবে, খাওয়া-দাওয়া কমিয়েছেন কেন?

ভারতের লখনউয়ে ক্যাফে মালিক শিবা শর্মার মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার মডেল শ্রদ্ধা দুবে এখন কারাগারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করছেন না, অন্য বন্দিদের সঙ্গেও কথা বলছেন কম। এ মামলায় তাঁর বোন রশ্মি ও গাড়িচালক আদিলও গ্রেপ্তার হয়েছেন।

শিবার মৃত্যু নিয়ে শ্রদ্ধার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, শিবা আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনার তদন্ত চলছে।

বিস্তারিত পড়ুন অধিকার পত্র ডটকমে।

 #শ্রদ্ধাদুবে #শিবাশর্মা #ভারত #হত্যামামলা #লখনউ #ভারতীয়সংবাদ #অধিকারপত্রডটকম