odhikarpatra@gmail.com ঢাকা | Thursday, 8th October 2026, ৮th October ২০২৬
বঙ্গভবনে হাবিপ্রবি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতির বক্তব্য; রাজনৈতিক প্রতিহিংসা গণতন্ত্রের বিকাশ বাধাগ্রস্ত করে উল্লেখ করে সহনশীলতার আহ্বান

মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি

odhikarpatra | প্রকাশিত: ৭ October ২০২৬ ১৯:০১

odhikarpatra
প্রকাশিত: ৭ October ২০২৬ ১৯:০১

অধিকার পত্র ডটকম | জাতীয়

ঢাকা, ৭ অক্টোবর ২০২৬: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ থাকবেই। এগুলোই গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য। তবে প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে।

বুধবার বঙ্গভবনে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এনামুল্লাহর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানান।

প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। ভিন্নমত প্রকাশ, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক চর্চার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা গণতন্ত্রের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে উল্লেখ করে তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্ব দেন।

হাবিপ্রবির একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত

সাক্ষাৎকালে হাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এনামুল্লাহ রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।

তিনি জানান, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ৬০০ কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দের বিষয়টিও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন তিনি।

উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রীদের আবাসন সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।

উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্ব

রাষ্ট্রপতি হাবিপ্রবির বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে প্রতিনিধিদলকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

একই সঙ্গে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে থাকা দেশের উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয়টির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে শিক্ষার মান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করাও জরুরি। দেশের উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরিতে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

সমাবর্তনে যাওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ রাষ্ট্রপতির

সাক্ষাৎকালে হাবিপ্রবির উপাচার্য আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।

রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।